সুন্নাতের মর্যাদা
যে ব্যাক্তি পরিতক্ত কোন সুন্নাতের উপর আমল করল,সে একশত শহীদের মর্যাদা লাভ করল
একজন শহীদের মূল্য দুনিয়ার কোন কিছুর সাথেই তুলনা হতে পারে না। আর একটি মোস্তাহাব আমলের ছাওয়াব যদি উহুদা পাহড়ের সমান ওজনের হয়, তবে মোস্তাহাবের চেয়ে অধিক মর্যদা হল সুন্নাত আমলের। তাই সুন্নত আমলের প্রকৃত মর্যাদা একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই ভাল জানেন। যা বলার অপেক্ষা রাখে না। ব্যাক্তি পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে আমরা যত কাজ কর্মই করে থাকিনা কেন, সকল ক্ষেত্রেই যদি সুন্নাত মোতাবেক করি তবেই আমাদের এ ধরা জীবন স্বার্থক বলে মনে হবে। আর এ স্বার্থক জীবনই হবে পর পারের একমাত্র পাথেয় এবং আল্লাহর নিকট আমাদেরককে করে তুলবে খাটি বান্দা ও অতি মর্যাদা বান উম্মত হিসেবে। যেমন ভোর বেলা আমরা সকলেই ঘুম থেকে জেগে থাকি। কিন্তু জাগার সময় দু'হাত দ্বারা হালকা ভাবে চক্ষুদ্বয় মলতে মলতে চক্ষু খোলা। মৃত্যুর ন্যায় ঘুম থেকে জেগে শুক্রিয়াতান জাগার দোয়াখানা পড়ে নেয়া। অতঃপর সুন্নাত তরীকায় প্রশ্রাব পায়খানা যাওয়ার পূর্বে দোয়া পড়ে মাথায় টুপী/ঢাকা অবস্থায় পায়ে জুতা পরে বাম পা আগে দিয়া পায়খানায় প্রবেশ করে বাম পার উপর ভর দিয়া হাঁটুদ্বয় না খোলে পায়খানা করে সুন্নাত তরীকায় ঢিলা কুলুখের পাক মাটির টুকরা গুলোকে ৩টি ঝাড়া দিয়া শীত ও গ্রীষ্ম কালীন নিয়মে ব্যবহার করা। মিছওয়াক ও অজু করতঃ পবিত্রতা অর্জন করে তাহইয়াতুল অজুর ২ রাকাত সুন্নত নামাজ অদায় করা। বস্তুত এখানে লক্ষণীয় যে, সুন্নাত অনুসরণ বহীন ঘুম থেকে জাগা আর সুন্নাতের অনুসরণ সহ জাগার মধ্যে অগণিত ছাওয়াবের ব্যবধান রয়েছে কি না সেটাকে খতিয়ে দেখে আমল করা। হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুন্নাতের মর্যাদা বুঝে সে মোতাবেক আমলী জিন্দিগী করার তাওফীক দাও।
আমীন।
Leave a Comment